ডেস্ক রিপোর্ট: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার মহাষ্টমী পূজা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মহাষ্টমীর মুল আকর্ষণ কুমারী পূজা ও সন্ধিপূজা। সন্ধিপূজা হয়েছে সকাল ৭টায়।
এরপর কুমারী পূজা । কুমারী বালিকার মধ্যে বিশুদ্ধ নারীর রূপ কল্পনা করে তাকে দেবী জ্ঞানে ভক্তরা পূজা করেন। দুপুরে বিতরণ করা হয় মহাপ্রসাদ।
হিন্দুশাস্ত্রমতে, সাধারণত এক থেকে ১৬ বছরের অজাতপুষ্প সুলক্ষণা ব্রক্ষ্মণ বা অন্য গোত্রের অবিবাহিত কুমারী নারীকে দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়। মাতৃরূপ উপলব্ধি করাই কুমারী পূজার উদ্দেশ্য।
শাস্ত্রমতে, এক বছর বয়সী কন্যাকে সন্ধ্যা, দুইয়ে স্বরস্বতী,তিনে ত্রিধামূর্তি, চারে কলিকা, পাঁচে সুভাগা, ছয় উমা, সাতে মালনী, আটে কুজ্বিকা, নয় কালসন্দভা,দশ অপরাজিতা, এগারো রুদ্রানী, বারোতে ভৈরবী,তেরোয় মহালক্ষ্মী, চৈদ্দ পীঠ নায়িকা, পনের ক্ষেত্রজ্ঞা এবং ষোলো অন্নদানে অভিহিত করা হয়।
নির্বাচিত কুমারীকে মহাষ্টমীর দিন ভোরে গোসল করিয়ে নতুন কাপড় পরানো হয়। তারপর সাজিয়ে কপালে সিঁদুর, গায়ে আলতা ও হাতে ফুল দেওয়া হয়। কুমারীকে সুসজ্জিত আসনে বসিয়ে ষোড়শোপাচারে (ষোলো উপাদান) দেবীজ্ঞানে পূজা করা হয়। এসময় শঙ্খধ্বনি, ঢাকের বোল, উলুধ্বনি আর দেবী স্তুতিতে মুখরিত হয়।
বুধবার ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। সপ্তমী তিথিতে সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে দেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন, সপ্তম্যাদি কল্পারম্ভ ও সপ্তমী বিহিত হয়। এরপর অঞ্জলী প্রদান করেন ভক্তরা।
দুর্গা শব্দের অর্থ হলো ব্যুহ বা আবদ্ধ স্থান। যা কিছু দুঃখ কষ্ট মানুষকে আবদ্ধ করে তা থেকে তিনি ভক্তকে রক্ষা করেন।
মহা চন্ডীর বর্ননা অনুযায়ী, ত্রেতা যুগে ভগবান রাজা রাম চন্দ্র দশানন রাবণের সঙ্গে যুদ্ধে রত হন। পাপের বিনাশের লক্ষ্যে দেবী আর্দ্যাশক্তি মহামায়ার কাছে শক্তি বৃদ্ধির আশায় শরৎকালে তার পূজা করিতেছিলেন এবং যুদ্ধে জয়লাভ করে দেবী সীতাকে উদ্ধার করেন। এবং রাবণকে হত্যা করতে সকাষম হন রাম চন্দ্র। সেই থেকে প্রতিবছর শরৎকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দূর্গাোৎসব পালন করে আসছেন।
আগামীকাল ১ অক্টোবর মহানবমী এবং ২ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার সমাপ্ত হবে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর শুভ মহলয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছে। পূজার এই সূচনাটি সারাদেশে আড়ম্বরের সঙ্গে উদযাপিত হয়।
এ বছর দেবী দুর্গা আসছেন গজে(হাতী) করে। বিদায় নেবেন দোলায় (পালকি)।
এ বছর সারাদেশে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ৩৩ হাজার ৩৫৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে রয়েছে ২৫৮টি পূজামণ্ডপ। ইতোমধ্যে মন্দির ও পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পূজা চলাকালে সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশে প্রতিটি পূজা মন্ডবে পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র্যাব এবং সেনা বাহিনী, নৌবাহিনী ও পোষ্টগার্ড নিরাপত্তার দ্বায়িত্বে থাকবেন। ঢাকেশ্বরী মন্দির মেলাঙ্গনে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৮ মার্চের ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। রবিবার (৮ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে এবারও শতভাগ টিকেট অনলাইনে বিক্রি করা ...
স্টাফ রিপোর্টার: আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারীর অধিকার, সমতা ও ক্ষমতায়নের দাবিকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশ ও সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হবে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি উপলক্ষে ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, ভারত সবসময়ই একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও স ...
ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন: “আজ ০৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’। দিবসটি উপলক্ষ্যে আমি বিশ্বের সকল ...
সব মন্তব্য
No Comments