৭ জানয়ারি লন্ডন যাবেন খালেদা জিয়া: মির্জা ফকরুল

প্রকাশ : 05 Jan 2025
৭ জানয়ারি লন্ডন যাবেন খালেদা জিয়া: মির্জা ফকরুল

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলােদশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য আগামী ৭ জানুয়ারী লন্ডনে যাচ্ছেন। রোববার (৫ জানুয়ারি) রাতে চেয়ারপারসনের বাসভবনে স্থায়ী কমিটির বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মহসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমকে একথা জানিয়েছেন।

এরআগে রাত আটটায় ফিরোজায় প্রবেশ করেন স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে মির্জা ফকরুল ইসলঅম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ড. এজেডএম জাহিদ হোসেন।


চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার আগে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের সঙ্গে খালেদা জিয়ার এ বৈঠক হয়। 

এদিকে আজ সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ফিরোজায় বৈঠক করেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান অলি আহমেদ বীরবিক্রম। তাদের মধ্যে ৩০ মিনিট বৈঠক হয়।

বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর ২ জানুয়ারি সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিএনপির চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। 

জানাগেছে, সব কিছু ঠিক থাকলে ৭ জানুয়ারি রাত ১০টায় লন্ডনে রওয়ানা হবেন।  খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে। তার সফরসঙ্গী থাকবেন অন্তত ১৬ জন। এরআগে ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই লন্ডনে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর ওই বছর ১৮ অক্টোবর দেশে ফিরেন তিনি।

আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছিল। তখন দুই বছরের বেশী সময় কারাবন্দী ছিলেন তিনি।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ আওয়ামীলীগ সরকার নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত কের শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয়। এরপর ছয়মাস পরপর আবেদনের পরিপেক্ষিতে তার সাজা স্থগিত করে মুক্থির মেয়াদ বাড়াচ্ছিল সরকার। এরমধ্যে বহুবার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। তবে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি সরকার।

ছাত্র-জনতার অভ্যূত্থানে গত ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদির ৬ আগষ্ট নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়। 


সম্পর্কিত খবর

;