ডেস্ক রিপোর্ট: নির্বাচনের সাড়ে তিন বছর পর আদালত রায় দেওয়ায় বিএনপি নেতা ডা. শাহদাত হোসেনকে চট্টগ্রাম সিটির করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশনের সচিব শফিউল আজিম স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আদালতের নির্দেশে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ও যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালত, চট্টগ্রামে দায়ের করা নির্বাচনী ট্টাইব্যুনাল মামলার গত ১ অক্টোবর আদেশে ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে 'নৌকা' প্রতীকের প্রার্থী ১ নম্বর বিবাদী মো. রেজাইল করিম চৌধুরীকে নির্বাচিত ঘোষণা বাতিল করে 'ধানের শীষ'
প্রতীকের প্রার্থী শাহদাত হোসেনকে নির্বাচিত মেয়র ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র হিসেবে আওয়ামীলীগ প্রার্থী রেজাইল করিম চৌধুরীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। োই সময় ফলাফল জালিয়াতির অভিযোগ করেন বিএনপিন প্রার্থী এ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির তৎকালীন আহবায়ক ডা. শাহদাত হোসেন। এরপর ২৪ ফেব্রয়ারি ফলাফল বাতিল চেয়ে মামলা করেন বিএনপির প্রার্থী। ফলাফল জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় চট্টগ্রাম নির্বাচনী ট্রাইব্যূনাল এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ খাইরুল আমীন গত ১ অক্টোবর নির্বাচনে ডা. শাহদাত হোসেন নির্বাচিত হিসেবে রায় দেন। একই সঙ্গে পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে গ্রজেট প্রকাশ করার জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবকে নির্দেশ দেয়া হয়। মামলায় বাদী দাবি করেন , ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা ফলাফল কারচুপি করেন।তিনি দাবি করেন, ৪ হাজার ৮৮৫টি বুথের মধ্যে মাত্র ২০টি বুথের ফলাফলের প্রিন্টেড কপি দেওয়া হয়। বাকিগুলোর ফলাফল হাতে লিখে দেওয়া হয়েছে, এতে প্রমাণ হয় যে ভোটের সংখ্যা পরিবর্তন করে জালিয়াতির মাধ্যমে তাঁর নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
গত ৫ আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র মো. রেজাইল করিম আর কার্যালয় আসেননি। মেয়রকে অপসারন করে ১৯ আগষ্ট চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলামকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এরপর আদালত থেকে নতুন নির্দেশনা আসে। ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রকাশিত ফলঅফর অনুযায়ী নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন পান ৫২ হাজার ৪৮৯ ভোট। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ভােটার ছিলেন মোট ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন।নির্বাচনে ভোট পড়ে মাত্র ২২ দশমিক ৫২ শতাংশ। ভোটের দিন হামলা, গোলাগুলি, প্রাণহানি ও ক্ষমতাসীনদের শক্তি প্রদশনের ঘটনা ঘটে। এতে ভোটের ইৎসব ম্লান হয়ে যায়। ভোট শেষে বিএনপির পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেনে কোনো ভোটই হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।
স্টাফ রিপোর্টার: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৮ মার্চের ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। রবিবার (৮ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে এবারও শতভাগ টিকেট অনলাইনে বিক্রি করা ...
স্টাফ রিপোর্টার: আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারীর অধিকার, সমতা ও ক্ষমতায়নের দাবিকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশ ও সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হবে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি উপলক্ষে ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, ভারত সবসময়ই একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও স ...
ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন: “আজ ০৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’। দিবসটি উপলক্ষ্যে আমি বিশ্বের সকল ...
সব মন্তব্য
No Comments