পাভেল ইসলাম মিমুল রাজশাহী ব্যুরো: ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ইফতেখার আলম মাসউদ-এর এই অশোভন আচরণের তদন্ত করে তাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের আল্টিমেটাম ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সংকট সমাধানে দায়িত্বশীল পদক্ষেপে রেজিস্ট্রার দপ্তরের অগ্রহণযোগ্য আচরণের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসু'র নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। সন্ধ্যায় রাকসু কার্যালয়ের সামনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, জিএস সালাহউদ্দিন উদ্দিন আম্মারসহ অন্যান্য প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগে চলমান অচলাবস্থা ২৩ দিন অতিক্রম করেছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাস, পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ। এই দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসনে রাকসুর প্রতিনিধিদল বারবার মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সালেহ হাসান নকীব মহোদয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্রুত সমাধানের অনুরোধ জানায়।
উপাচার্য মহোদয় বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অপসারণের নির্দেশে স্বাক্ষর করেন এবং ফাইলটি রেজিস্ট্রার দপ্তরে প্রেরণ করেন। প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী, রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একই দিনে চিঠি ইস্যু হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু দেখা যায়, রবিবার দুপুর পর্যন্ত রেজিস্ট্রার দপ্তর সেই চিঠি ইস্যু করেনি। এতে বিভাগটির ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থেকে শিক্ষার্থীরা আরও একদিন একাডেমিক ক্ষতির মুখে পড়ে।
বিষয়টি জানতে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক ও সিনেট সদস্য সালাহউদ্দিন আম্মার রেজিস্ট্রার দপ্তরে উপস্থিত হলে, দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান যে রেজিস্ট্রার মহোদয় তখন রাজনৈতিক প্রোগ্রামে ব্যস্ত আছেন এবং পরে আসতে বলেছেন। প্রশাসনিক দায়িত্বের সময় রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা যেমন নীতিগতভাবে অনুচিত, তেমনি এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশাসনের পরিপন্থী।
পরে রেজিস্ট্রার মহোদয়ের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে বিষয়টির অগ্রগতি জানতে চাইলে তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন এবং উত্তেজিত হয়ে কথা বলেন, যার একটি অংশ ভিডিওতে ধারণ করা হয় এবং ইতোমধ্যে বহু শিক্ষার্থী তা দেখেছেন।
রাকসু মনে করে, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সংকটকে উপেক্ষা করে প্রশাসনিক পদক্ষেপ বিলম্বিত করা দায়িত্বহীনতা ও জবাবদিহিতার অভাবের দৃষ্টান্ত। একজন নির্বাচিত ছাত্রপ্রতিনিধির সঙ্গে এমন আচরণ রাকসুর মর্যাদাকে ক্ষুন্ন করেছে এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নীতিমালার পরিপন্থী। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ইফতেখার আলম মাসউদ-এর এই অশোভন আচরণের তদন্ত করে তাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের ব্যবস্থা নিতে হবে।
সট- মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, ভিপি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসু।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাস্টার্স (প্রফেশনাল) কোর্সে পাঠদানকারী কলেজসমূহে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বিএড, বিপিএড, বিএমএড, বিএসএড, এমএড, এমএসএড, এমপিএড, ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে এলএ ...
নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) অধ্যয়নরত রাজশাহী বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংগঠন 'রাজশাহী বিভাগ ছাত্র কল্যাণ পরিষদ'-এর ২০২৬-২৭ বর্ষের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ...
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারি অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা এক কর্মচারির ছুরিকাঘাতে মারা গেছেন।বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইস ...
রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অসাবধানতায় কয়েক হাজার পুরুষ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন কার্ডে লিঙ্গ (জেন্ডার) পরিবর্তিত হয়ে ‘ফিমেল’ বা নারী চলে এসেছে। অন্তত ৩৮ হাজার পুরুষ শিক ...
সব মন্তব্য
No Comments