স্টাফ রিপোর্টার: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সশস্ত্র নৃশংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে জীবন দিয়ে আমাদেরকে এই বাংলাদেশ গড়ার নতুন প্রেক্ষিত এনে দিয়েছে। এ যেন এদেশের সাধারণ মুক্তিকামী মানুষের মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতা। তাই এই সুযোগকে আমাদের অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।
আজ ঢাকায় শহিদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী সিভিল সার্জন সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধিবেশনে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে একজন চিকিৎসক হওয়ার প্রেরণা কৈশোর থেকেই প্রোথিত হয়। অনেক অধ্যবসায়ে একজন চিকিৎসক গড়ে উঠে। সিভিল সার্জনদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা কেবল চিকিৎসক নন, আপনারা স্বাস্থ্য সেবা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ নির্ভরযোগ্য এবং উন্নত স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত। স্বাস্থ্য সেবায় বৈষম্যের কারণে সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতাও সর্বত্র পরিলক্ষিত হয়। তাই স্বাস্থ্যসেবায় জনআস্থা ফিরিয়ে আনা ও জনমুখী স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ সৃষ্টি এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে আপনাদেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে। আমি আশা করি, আপনারা আপনাদের মেধা, প্রজ্ঞা এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছে দিতে সক্ষম হবেন।
ফারুক ই আজম বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসেবা প্রদানে মন্ত্রণালয় আপনাদের ওপর নির্ভর করে। বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের সিংহভাগ সদস্যই বার্ধক্যে উপনীত। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক মুক্তিযোদ্ধা বার্ধক্যজনিত রোগ, পঙ্গুত্ব, ট্রমা ও নানা জটিলতায় ভুগছেন। তাদের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা থাকলেও প্রকৃত চিকিৎসাসেবা পৌঁছানো এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাই একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রাথমিক চিকিৎসা বা নিয়মিত চেকআপের অভাবে ন্যূনতম মানবিক সেবা থেকে বঞ্চিত থাকেন। মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য মন্ত্রণালয় নিয়মিত আপনাদের অর্থায়ন করে থাকে। তাই মুক্তিযোদ্ধারা যতদিন বেঁচে থাকবেন তাঁদের সম্মানের সাথে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আমরা দায়বদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উপদেষ্টা বলেন, আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে জুলাই গণ অভ্যুত্থান এক সাহসী ও রক্তাক্ত অধ্যায়। সামাজিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন সমাজের দাবিতে দেশের হাজারো শিক্ষার্থী, তরুণ, পেশাজীবী, নাগরিক এই দিন রাস্তায় নেমেছিলেন। সেই অভ্যুত্থানে অনেকে শহিদ হয়েছেন। আহতদের অনেকে এখনো চিকিৎসাধীন। এই প্রেক্ষাপটে শহিদ পরিবার ও আহতদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যা ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বাত্মক সহযোগিতায় ইতোমধ্যে শহিদ এবং আহতদের তিনটি শ্রেণিতে গেজেট দ্রুততম সময়ে প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তাই আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে জেলা পর্যায়ের সিভিল সার্জনদের ভূমিকা হবে মুখ্য ও অবিচ্ছেদ্য। এক্ষেত্রে আপনাদের হতে হবে সুবিবেচক ও ধৈর্যশীল।
উপদেষ্টা আরো বলেন, বেশকিছু ক্ষেত্রে গেজেটে সংযোজন বা বিয়োজন বা সংশোধনীর প্রয়োজন হবে। তাই আমি আশা করি, বিষয়গুলো আপনারা আপনাদের প্রজ্ঞা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সহায়তা করবেন। এক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন ও ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান অধিদপ্তর’-এর সঙ্গে আপনাদের সরাসরি সমন্বয় করতে অনুরোধ জানাচ্ছি যাতে সঠিক তথ্য, সময়মতো সেবা এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা যায়।
স্টাফ রিপোর্টার: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৮ মার্চের ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। রবিবার (৮ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে এবারও শতভাগ টিকেট অনলাইনে বিক্রি করা ...
স্টাফ রিপোর্টার: আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারীর অধিকার, সমতা ও ক্ষমতায়নের দাবিকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশ ও সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হবে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি উপলক্ষে ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, ভারত সবসময়ই একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও স ...
ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন: “আজ ০৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’। দিবসটি উপলক্ষ্যে আমি বিশ্বের সকল ...
সব মন্তব্য
No Comments