ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি॥ নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ ইয়াছিন (২০) দুইদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে সোমবার (৩ নভেম্বর) ভোরে মারা গেছেন।
নিহত ইয়াছিন নবীনগর পৌর এলাকার আলমনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। নিহতের ভাই শাহীন মিয়া জানান, ভোর রাতেই ইয়াছিনের মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যে মরদেহ নিয়ে তারা নবীনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এর আগে একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ নূরজাহানপুর গ্রামের মোন্নাফ মিয়া ওরয়ে মনেক ডাকাতের ছেলে শিপন মিয়া (৩০) শনিবার রাতেই মারা যান। এ নিয়ে ওই সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন, প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় মোন্নাফ মিয়া ও তার ছেলে শিপনের দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল। তাঁদের সঙ্গে একই এলাকার থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত মিয়ার বিরোধ চলছিল। শনিবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার বাজারের একটি হোটেলে শিপন মিয়া রাতের খাবার গ্রহন করছিল। এসময় পূর্ব শত্রæতাসহ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে আরাফাতের নেতৃত্বে সশস্ত্র একটি দল হোটেলে ঢুকে এলোপাতারি গুলি চালায়। এতে শিপনসহ হোটেলের দুই কর্মচারী ইয়াসিন (২০)ও নুর আলম (১৮) গুলিবিদ্ধ হন। গুলির শব্দে বাজারজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলার পর আরাফাত ও তাঁর সহযোগীরা দ্রæত পালিয়ে যান। শিপনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর নুরজাহানপুরে পৌঁছালে মোন্নাফ মিয়ার নেতৃত্বে একদল লোক গণি শাহ মাজারের অদূরে তালতলায় এমরান হোসেনের কার্যালয়ে হামলা চালান। সেখানে এমরান হোসেন (৩৮) গুলিবিদ্ধ হন। এমররান মাস্টারের বাড়ি বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোলøাকান্দি গ্রামে। বিক্ষুব্ধ লোকজন থোল্লাকান্দি গ্রামে হামলা চালিয়ে একাধিক বাড়িঘর ভাংচুর করে।
স্থানীয়রা জানান, এমরান হোসেন মাস্টার নবীনগরের থোল্লাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পাশের শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুখ্যাত মনেক ডাকাত ও তার ছেলে শিপন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক, চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিল। তাদের সঙ্গে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত ও তার সহযোগীদের সম্পর্কও ছিল। সম্প্রতি অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে শিপন ও রিফাতের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
এই বিরোধের জের ধরেই শনিবার রাতে রিফাতের নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলাকারীরা গণিশাহ মাজারসংলগ্ন হোটেলে ঢুকে শিপনের ওপর গুলি চালায়।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনূর ইসলাম বলেন, শিপনকে গুলি করে রিফাত। যিনি থোল্লাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা এবং এমরান মাস্টারের আত্মীয়। শিপন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনে মনেক ডাকাতের অনুসারীরা ভুল করে ধরে নেয় যে এমরান ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত। সেই ভুল ধারণা থেকেই তারা এমরানের অফিসে হামলা চালিয়ে তাকে গুলিবিদ্ধ করে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক জানান, ঘটনার পর থেকেই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মোঃ সাইফুল্লাহ, সাভার সংবাদদাতা: সাভারে নিম্নমানের খোলা সয়াবিন তেল বিভিন্ন কোম্পানির নামে বোতলজাত করে বাজারজাত করার অভিযোগে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে ১ একজনকে আটক করা হয়েছে ...
রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধা; সড়ক দূর্ঘটনায় আহতদের দেখতে গিয়ে নিজেই সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হন ব্যবসায়ী সুমন বেপারী (৩৫)। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে ব্যাথার ইনজেকশন পুশ করা ...
স্টাফ রিপোর্টার: জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন কর্তৃক আয়োজিত অধস্তন আদালতের কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে দুইজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের না ...
নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় একটি ফাঁকা বাড়ি থেকে ৯ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালি ...
সব মন্তব্য
No Comments