স্টাফ রিপোর্টার: নাসরিন ইসলাম (শিখা) বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করে বলেন মন্তব্য করে সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব ফয়সাল রেজা বলেছেন, গত ২১ শে এপ্রিল তারিখে নাসরিন ইসলাম (শিখা) আমার নামে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ নিয়ে গণ মাধ্যমের সামনে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন। যাহা মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে আমি মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হই এবং দলীয় রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুন্ন হয়। যার ফলস্বরুপে, দল থেকে আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এমতাবস্থায়, আমি সুষ্ঠ বিচার ও তদন্তের দ্বারা ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা করছি।
বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ফায়সাল রেজা বলেন, গত বছর ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে নাসরিন ইসলাম (শিখা) এর সাথে আমার পরিচয় হয়। এরপর ধীরে ধীরে তাঁর সাথে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। প্রায় ৪ মাস পরে জানতে পারি সে বিবাহিত। নাসরিন ইসলাম (শিখা) এর স্বামী ও দুইটি সন্তান রয়েছে। যাহা সে আমাকে গত চার মাসে কখনোই বলেনি। আরও জানতে পারি যে, মহিদুল নামে একজন ব্যাক্তির সাথে তাঁর ইতিমধ্যে সম্পর্ক ছিল এবং পরবর্তীতে তাঁদের বিয়েও হয়েছিলো। আরও জানতে পারি সে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে সম্পর্কে জরিয়ে তাঁদের কে বিয়ে করে, কিছুদিন পর তাঁদের হতে ডিভোর্সের মাধ্যমে অর্থ আদায় করে থাকেন। অদ্রপ আমার সাথে ঘটতে যাচ্ছে যাহা আমি বুঝতে পারি। তাঁরই প্রেক্ষিতে আমি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে তাঁর থেকে দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করি। তখনই সে আমাকে বিভিন্ন উপায়ে হেনস্তা করার চেষ্টা করে এবং আওয়ামী লীগ, পুলিশ ও ডিবি পুলিশের এর মাধ্যমে আমাকে টাকা চেয়ে হুমকি দিয়ে থাকেন।
তিনি বলেন, আমি নিরুপায় হয়ে টাকার বিনিময়, সামাজিক হেনস্তা হতে রক্ষা পেতে ৭ লক্ষ টাকার বিনিময় সমঝোতা করতে বাধ্য হই। যাহার প্রমান সরুপ ১০০ (একশত) টাকার ০৩ (তিন) টি স্টাম্পে অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে ৩০/১১/২০২৩ তারিখে সমঝোতা করি এবং সমঝোতার ভিত্তিতে আমি নাসরিন ইসলাম (শিখা)-কে ১২/১২/২০২৩ তারিখে চেক প্রদান করতে ঢাকা পল্টনের ইসলাম টাওয়ারের একটি অফিসে যাওয়া মাত্রই সেখানে আমাকে আটক করা হয় এবং সেখানে থাকা আওয়ামী লীগের কিছু ব্যাক্তি ও প্রশাসনের কিছু ব্যাক্তি পরিচয়ে আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে এবং আমার কাছে থাকা চেকটি ছিনিয়ে নেয় ও উক্ত স্থানে জোরপূর্বক নাসরিন ইসলাম (শিখা) এর সাথে আমাকে বিয়ে দেয়। উক্ত সময় তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যেমে ভিডিও ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে কিছু দিন আমি আর তার সাথে যোগাযোগ করিনি। যার কারণে নাসরিন ইসলাম (শিখা) আমার এলাকার বিভিন্ন ব্যাক্তির সাথে যোগাযোগ করে আমার পরিবারকে মামলার হুমকি প্রদান করে। যার ফলস্বরুপে সামাজিক সম্মানের ভয়ে তার সাথে আবারও সমঝোতা করতে বাধ্য হই এবং তার সাথে পুনরায় যোগাযোগ করি তার কিছু দিন পর থেকে নাসরিন ইসলাম (শিখা) টাকার জন্য আমাকে চাপ প্রয়োগ করে এবং পাশাপাশি সে অসামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যায়, যা আমি বুঝতে পারি এবং এরপর আমি তাকে কোর্টের মাধ্যেমে ডিভোর্স প্রদান করতে বাধ্য হই।
সংবাদ সম্মেলনে রেজা বলেন, নাসরিন ইসলাম (শিখা) একজন সেনা কর্মকর্তার কাছে আমার বিরূদ্ধে কিছু মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে উপস্থিত হয়। পরবর্তীতে আমি তার সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি আমাকে নাসরিন ইসলাম (শিখা) কে পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়ার কথা এবং বিষয়টি পারিবারিক ভাবে সমঝোতা করার জন্য আমার ডিভোর্সটি উঠিয়ে নিতে বলেন এবং আমি সেনা কর্মকর্তার কথাটি রাখি এবং সেই সেনা কর্মকর্তা সমস্যা সমাধানের জন্য ১ (এক) মাস সময় নেন। পরবর্তীতে সমঝোতা না হওয়ার কারণে সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ঢাকার পল্লবী কাজী অফিসে পারিবারিক ভাবে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময় সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়।
স্টাফ রিপোর্টার: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আজ সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি সীমা দত্তের সভাপতিত্বে ও ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানহানির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ...
স্টাফ রিপোর্টার: আজ রাজধানীতে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাত ...
স্টাফ রিপোর্টার: পবিত্র মাহে রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজ নির্বাচনী এলাকা, পল্লবী ও রুপনগরে, গুম ও শহীদ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাদের হাতে রমজান ও ঈদের সামগ্রী তুলে দ ...
সব মন্তব্য
No Comments