ডেস্ক রিপোর্ট: আজ ৩রা ফেব্রুয়ারি শুক্রবার। অমর একুশে বইমেলার তৃতীয় দিন। মেলা চলে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। মেলায় ছিল আজ শিশুপ্রহর। সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত শিশুপ্রহর ঘোষণা করা হয়। আজ নতুন বই এসেছে ৯৬টি।
বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণ : আবুল মাল আবদুল মুহিত শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুতুব আজাদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জালাল ফিরোজ এবং এম আবদুল আলীম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নূহ-উল আলম লেনিন।
প্রাবন্ধিক বলেন, আবুল মাল আবদুল মুহিত লেখক-পাঠক-ভাবুক-বিশেøষক-গবেষক-অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিক এক বর্ণিল ও বিচিত্র প্রতিভা। ধর্মনিরপেÿতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ভাষা-আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ছিল তাঁর আজীবন চলার পাথেয়। তাঁর বিপুল গ্রন্থরাজি, পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত নানা প্রবন্ধ-নিবন্ধ ও গবেষণাপত্র দেশব্যাপী পাঠককুলের সাথে তাঁকে এক মেলবন্ধনে আবদ্ধ করে। সবকিছু ছাপিয়ে তিনি একজন সংস্কৃতিবান ও রুচিবান আত্মনিবেদিত দেশকর্মী। নানা বিবেচনায় মনস্বী আবুল মাল আবদুল মুহিতের নির্মোহ মূল্যায়ন প্রয়োজন।
আলোচকবৃন্দ বলেন, বর্ণিল কর্মজীবনের অধিকারী আবুল মাল আবদুল মুহিত একাধারে লেখক, গবেষক, রাজনীতিবিদ এবং অর্থনীতিবিদ। বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদন্ডকে তিনি সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন। শিক্ষাদীক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে বেড়ে উঠেছিলেন বলে আজীবন তিনি ছিলেন বইপ্রেমী। গবেষণা ও লেখালেখির প্রতি তাঁর যেমন আগ্রহ ছিল, তেমনি বাঙালির মূলধারার আন্দোলনের সঙ্গেও ছিলেন ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। দীর্ঘ কর্মময় জীবনে তিনি যেমন প্রশাসক, কূটনীতিক ও অর্থনীতিবিদ হিসেবে সফল, তেমনি নিষ্ঠাবান গবেষক ও লেখক হিসেবেও অনন্য।
সভাপতির বক্তব্যে নূহ-উল আলম লেনিন বলেন, আবুল মাল আবদুল মুহিত একজন বিরলপ্রজ বাঙালি। মেধা-মননে, শিÿাদীÿায় আলোকিত আবদুল মুহিত একজন সার্থক অর্থমন্ত্রীই ছিলেন না; মানুষ হিসেবেও তিনি ছিলেন সত্যনিষ্ঠ, সত্যবাদী এবং দেশপ্রেমিক। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী তাঁর জীবন ও কর্ম তরুণ প্রজন্মকে সামনে এগিয়ে যাবার প্রেরণা জোগাবে।
আজ লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন আহমদ বশীর, সুজন বড়ূয়া, রাজীব সরকার এবং হারিসুল হক।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি তারিক সুজাত, কুমার চক্রবর্তী এবং সুপ্রিয়া কুন্ডু। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী রেজিনা ওয়ালী, ঝর্ণা সরকার এবং আহসানউলøাহ তমাল। নৃত্য পরিবেশন করেন নৃত্যসংগঠন ‘বুলবুল একাডেমী অব ফাইন আর্টস (বাফা)’-এর নৃত্যশিল্পীবৃন্দ। সংগীত পরিবেশন করেন সাজেদ আকবর, সালমা আকবর, শাহনাজ নাসরিন ইলা, মো. হারুন অর রশীদ এবং মুহাঃ আব্দুর রশীদ। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ পাল (তবলা), ইফতেখার হোসেন সোহেল (কী-বোর্ড), অসিত বিশ্বাস (এসরাজ) এবং নাজমুল আলম খান (মন্দিরা)।
আগামীকালের সময়সূচি
আগামীকাল ৪ঠা ফেব্রুয়ারি শনিবার। অমর একুশে বইমেলার ৪র্থ দিন। মেলা শুরু হবে সকাল ১১টায়, চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।
ডেস্ক রিপোর্ট: প্রবাস জীবনের নিঃসঙ্গতা, মুখোশের নিচে লুকানো বেদনা, বন্ধুত্ব ও মানসিক আশ্রয়ের অনন্ত গুরুত্ব, আত্মহত্যার পেছনে নীরব মানসিক ভাঙন এবং স্মৃতি হয়ে থাকা সম্পর্ক নিয়ে চলচ্চিত্র পরিচালক নঈম ইম ...
ডেস্ক রিপোর্ট: শাইখ সিরাজের পরিকল্পনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনায় জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ ধারণ করা হয়েছে গাজীপুরের কাপাসিয়ায়। গ্রামীণ আবহে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত প্রায় দশহাজার মানুষের উপস্থিতিত ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ভালোবাসা দিবসে প্রকাশিত হল জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তৌফিক আহমেদ প্রিয়’র কন্ঠে নতুন গান ‘ভেজা কাক’। অটমনাল মুনের কথা সুর ও সংগীতায়োজনে নির্মিত গানটি প্রকাশিত হল আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে। এএসএ ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর একুশে পদকের জন্য ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি প্রয়াত আ ...
সব মন্তব্য
No Comments